দেয়াল (হার্ডকভার)

225.00450.00 (-50%)

In stock

Title দেয়াল
Author
Publisher
ISBN 9789845021272
Edition 11th, 2014
Number of Pages 198
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
SKU: 765878507 Categories: , , Tag:

বইয়ের বিবরণ

  • বইয়ের নামঃ দেয়াল
  • লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
  • প্রকাশিতঃ ২০০৩
  • প্রকাশকঃ অন্যপ্রকাশ
  • সাইজঃ ০৪ এমবি
  • ভাষাঃ বাংলা (Bangla/Bengali)
  • পাতা সংখ্যাঃ ১৯৮ টি
  • বইয়ের ধরণঃ উপন্যাস
  • ফরম্যাটঃ পিডিএফ (PDF)

ফ্ল্যাপে লিখা কথা
‘ভাদ্র মাসের সন্ধা। আকাশে মেঘ আছে। লালচে রঙের মেঘ। যে মেঘে বৃষ্টি হয় না, তবে দেকায় অপূর্ব। এই গাঢ় লাল, এই হালকা হলুদ, আবার চোখের নিমিষে লালের সঙ্গে খয়েরি মিশে সম্পূর্ণ অন্য রঙ। রঙের খেলা যিনি খেলছেন মনে হয় তিনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।’

এভাবেই সূচনা ঘটেছে হুমাযূন আহমেদের চার দশকের বর্ণময় লেখকজীবনের শেষ উপন্যাস ‘দেয়াল’- এর। ২০১১ সালের মাঝামাঝিতে ‘দেয়াল’ রচনা শুরু করেছিলেন তিনি। সে-সময় উপন্যাসের পাঁচটি পর্ব ধারাবাহিকভাবে ‘অন্যদিন’-এর প্রকাশিত হয়। এরপর বেশ কিছুদিন বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর ক্যানসার চিকিৎসা চলাকালে নতুন করে ‘দেয়াল’ রচনায় মনোনিবেশ করেন তিনি, যদিও শেষ পর্যন্ত উপন্যাসটির চূড়ান্ত রূপ দেয়ার সুযোগ পান নি।

সূচনা-অনুচ্ছেদে আকাশের রঙবদলের খেয়ায় যে সিদ্ধান্তহীনতার কথা বলা হচ্ছে তা বিশেষ ইঙ্গিতবহ। যে সময়কে উপজীব্য করা হয়েছে ‘দেয়াল’-এ, তা একটি সদ্যস্বাধীন জাতির ভাগ্যকাশের চরম অনিশ্চয়তার কাল। উপন্যাসের কিছু চরিত্র বাস্তব থেকে নেওয়া, নাম-ধাম সবই বাস্তব, ঘটনা-পরস্পরাও বাস্তবেরই অংশ। লেখক যেহেতু উপন্যাস লিখেছেন, তাই আছে কিছু কাল্পনিক চরিত্র। গল্প আবর্তিত হয়েছে এদের ঘিরেও।

নানা ঘটনার ঘনঘটায় ঢাকা পড়ে নি জীবনসৌন্দর্য আর জীবন-সত্যের সন্ধান। ইতিহাসের সত্য আর লেখকের সৃজনী ভাবন্য-দুইয়ে মিলে ‘দেয়াল’ পরিণত হয়েছে একটি হৃদয়গ্রাহী উপাখ্যানে।

ভূমিকা
হুমায়ূন আহমেদের অবর্তমানে তার উপন্যাস দেয়াল প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। প্রকাশকের ইচ্ছায় আমি তার ভূমিকা লিখছি। বইটির যে কোনো ভূমিকার প্রয়োজন ছিল, আমার তা মনে হয় না।

গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার আগেই দেয়াল নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিষয়টা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। হাইকোর্টের পরামর্শ-অনুযায়ী লেখক উপন্যাসটির প্রথম প্রকাশিত রূপের পরিবর্তন সাধন করেছেন। গ্রন্থাকারে সেই পরিবর্তিত রূপই প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। তারপরও আমার মনে হয়, দেয়াল বিতর্কিত থেকে যাবে।

বইটিতে দুটি আখ্যান সমান্তরালে চলেছে। প্রথমটি অবন্তি নামে এক চপলমতি ও প্রচলবিরোধী মেয়ের কাহিনি। তার বাবা নিরুদ্দিষ্ট। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করে মা ইসাবেলা স্বদেশ স্পেনে চলে গেছেন। এই দম্পতির কেউ যে সাধারণ বিচারে স্বাভাবিক, তা মনে হয় না। অবন্তি ঢাকা ঢাকায় বাস করে পিতামহ সরফরাজ খানের সঙ্গে- তিনি রক্ষণশীল এবং খেয়ালি- অবন্তিতে লেখা তার মায়ের চিঠি আগে গোপনে খুলে পড়েন, অবন্তির শিক্ষক শফিকের ওপর নজরদারি করেন এবং আরও অনেক কিছু করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় নিরাপত্তার খোঁজে ঢাকা ছেড়ে গ্রামে যান, সেখানেও টিকতে না পেরে আশ্রয় নেন এক পীরের বাড়িতে। এক পাকিস্তানি সেনা-কর্মকর্তা অবন্তিকে দেখে ফেলে বিয়ে করতে চায়। বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে পীর নিজের ছেলের সঙ্গে অবন্তির বিয়ে দিয়ে দেন। অবন্তি এ-বিয়ে মেনে নেয় না বটে, কিন্তু হাফেজ জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করে না। তা নিয়ে কিছু জটিলতার সৃষ্টি হয়।

সরফরাজ খানের পুত্রের বন্ধুদের একজন মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ। এ-বাড়িতে তাঁর আসা-যাওয়া আছে। তাঁর সূত্রে কর্নেল তাহেরও এখানে এসেছেন। এভাবেই প্রথম আখ্যানের সঙ্গে দ্বিতীয় আখ্যানের যোগ সাধিত হয়।

দ্বিতীয় আখ্যানটি সূচিত হয় মেজর ফারুকের বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে। এই পরিকল্পনায় ফারুক ও মেজর রশীদ মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ও ওসমানীকে জড়িত করে। পরিকল্পনায় ফারুক ও মেজর রশীদ মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ও খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান, কারাগারে চার নেতা হত্যা, কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সিপাহী-জনতার বিপ্লব, জিয়াউর রহমানের মুক্তিলাভ ও ক্ষমতাগ্রহণ, খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল হুদার হত্যা এবং তাহেরের ফাঁসিতে উপাখ্যানের সমাপ্তি। তারপরও লেখক দ্রুত ঘটনা বলে গেছেন, উপন্যাসের সমাপ্তি হয়েছে জিয়ার হত্যাকাণ্ডে।

আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এসব শোকাবহ পর্বের বর্ণনায় যে-পরিসর ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের প্রয়োজন ছিল, বইতে তা দেওয়া হয় নি। বঙ্গবন্ধুর শাসনকালে অনুবস্ত্রের অভাব এবং রক্ষী বাহিনীর অত্যাচার ও তাদের প্রতি সর্বসাধারণের ক্ষোভ ও ঘৃণার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। শেখ মুজিবকে বঙ্গপিতা, মহামানব ও বঙ্গবন্ধু বলা হলেও মৃত্যুতে তিনি লেখকের অতটা সহানুভূতি লাভ করেননি যতটা পেয়েছেন তাঁর পরিবারের শিশু ও নারীরা। বঙ্গবন্ধু-হত্যায় মানুষের মধ্যে থেকে যে প্রবল প্রতিবাদ হলো না, বরঞ্চ কোথাও কোথাও আনন্দ-মিছিল হলো, এতে লেখক বিস্মিত (কাদের সিদ্দিকীর প্রতিবাদ সম্পর্কে হুমায়ূনের মন্তব্য : ‘ভারতে তিনি ‘কাদেরিয়া বাহিনী’ তৈরি করে সীমান্তে বাংলাদেশের থানা আক্রমণ করে নিরীহ পুলিশ মারতে লাগলেন। পুলিশ বেচারারা কোনো অর্থেই বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জড়িত না, বরং সবার আগে বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করার জন্যে তারা প্রাণ দিয়েছে।”) অবন্তির গৃহশিক্ষক শফিক- যে নিজেকে খুবই ভীতু বলে পরিচয় দেয়, সে-কিন্তু রাস্তায় দাঁড়িয়ে ‘মুজিব হত্যার বিচার চাই’ চলে স্লোগান দেয়, গ্রেপ্তার হয় এবং নিপীড়ন সহ্য করে। খন্দকার মোশতাককে এ-বইতে আমার পাই কমিক চরিত্ররূপে। ‘অসীম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তম খালেদ মোশাররফ’ এবং ‘মহাবীর কর্নেল তাহেরে’র প্রতি লেখকের শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে এবং উপন্যাসে কর্নেল তাহেররকেও দেখি খালেদ মোশাররফের সাহসিকতা ও চরিত্রগুণের প্রশংসা করতে। জিয়াউর রহমানের আর্থিক সততার প্রশংসা আছে, জনগণের শ্রদ্ধা তিনি অর্জন করেছিলেন, তা বলা হয়েছে, সেই সঙ্গে তাঁর ক্ষমতালোভের কথা বলা হয়েছে এবং সরকারি তথ্য উদ্বৃত করে জানানো হয়েছে যে, ১৯৭৭ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর গঠিত সামরিক আদালতের বিচারে ১১৪৩ জন সৈনিক ও অফিসারকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিতে হয়েছে। হুমায়ূনের মতে, এদের দীর্ঘনিশ্বাস জমা হয় চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে- সেখানে ‘জিয়া প্রাণ হারান তাঁর এক সময়ের সাথী জেনারেল মঞ্জুরের পাঠানো ঘাত বাহিনীর হাতে।’ এই সিদ্ধান্তের সমর্থনে বইতে কোনো তথ্য নেই, বরঞ্চ এই হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে মনজুরের ‘রূপবতী স্ত্রী’র প্রলয়ংকরী স্ত্রীবুদ্ধি কাজ করে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র যে বলেছিলেন, ‘উপন্যাস উপন্যাস-উপন্যাস ইতিহাস নহে’, সে কথা যথার্থ। তবে ইতিহাসাশ্রিত উপন্যাসে ইতিহাসের সারসত্য অবিকৃত থাকবে বলে আশা করা হয় এবং কল্পনাপ্রসূত আখ্যানেও কার্যকারণ সম্পর্কের ব্যাখ্যা প্রত্যাশিত।

দেয়াল উপন্যাসের প্রথমদিকে হুমায়ূন আহমেদ নিজের উল্লেখ করেছে প্রথম পুরুষে, শেষদিকে এসে উত্তমপুরুষে নিজের কথা সে বলে গেছে। আমরা জানতে পারি- অনেকেরই তা অজানা নয় যে- শহীদ পরিবার হিসেবে ঢাকা শহরে হুমায়ূনদের সরকারিভাবে যে বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়, রক্ষী বাহিনীর এক কর্মকর্তা তা দখল করে তাদেরকে নির্মমভাবে সেখান থেকে উচ্ছেদ করে পথে নামিয়ে দেন; হুমায়ূনের মা এবং ভাইবোনেরা শুধু চরম অপমানের শিকার হন, তা নয়, নিরাপত্তার সম্পূর্ণ অভাবে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক হুমায়ূনকে বাকশালে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয় এবং চাপের কাছে নতিস্বীকার করে রসায়ন বিভাগে রেজিস্ট্রারের অফিসে এবং উপাচার্যের দপ্তরে ছোটাছুটি করেও শেষ পর্যন্ত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার কারণে তার প্রয়াস নিষ্ফল হয়, বাকশালে যোগদান থেকে সে বেঁচেই যায় বলতে হবে। এসব ঘটনা বঙ্গবন্ধুর সরকার সম্পর্কে তার মনে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। অন্যপক্ষে কর্নেল তাহেরের ভাই আনোয়ার হোসেনের সূত্রে তাহেরের সঙ্গে সে পরিচিত হয়, তাঁর মাকে নিজের মায়ের মতো দেখতে অভ্যস্ত হয়। তাহেরের জীবনাবসান তার মনে গভীর দাগ ফেলে যায়- এতটাই যে ভারতীয় হাই কমিশনার সমর সেনকে অপহরণের পরিকল্পনাকে ‘সাহসী’ বলে ‍উপন্যাসে প্রশংসা করা হয়েছে। আমার ধারণা, হুমায়ূনের এই ব্যক্তিগত পটভূমি এই উপন্যাসের চরিত্র ও ঘটনার উপস্থাপনে তাকে প্রভাবান্বিত করেছে।

প্রথম আখ্যানেই আমরা পরিচিত হুমায়ূন আহমেদকে পাই। চরিত্রের খেয়ালিপনা, সংলাপের সংঘাত, ঘটনার আকস্মিকতা ও কার্যকারণহীনতা আমাদের সবসময়ে রহস্যময়তার দিকে আকর্ষণ করে। দ্বিতীয় আখ্যানের ঐতিহাসিকতা প্রমাণের জন্যে হুমায়ূন বইপত্র এবং মামলার কাগজপত্রের শরণাপন্ন হয়েছে। তবে তারপরও তথ্যগত ত্রুটি রয়ে গেছে। কাহিনি বলা থামিয়ে লেখক কখনো তারিখ দিয়ে মোটা দাগে ঘটনার বিবরণ লিখে গেছে। শেষে এক লাফে ছ বছর সময় পেরিয়ে উপসংহারে পৌঁছেছে।

এরই মধ্যে ছড়িয়ে আছে হুমায়ূনের স্বভাবসিদ্ধ এপিগ্রাম। সামান্য নমুনা দিই :
মানুষ এবং পশু শুধু যে বন্ধু খোঁজে তা না, তার প্রভুও খোঁজে।
এই পৃথিবীতে মূল্যবান শুধু মানুষের জীবন, আর সবই মূল্যহীন।
কিছু বিদ্যা মানুষের ভেতর থাকে। সে নিজেও তা জানে না।
যে লাঠি দিয়ে অন্ধ মানুষ পথ চলে, সেই লাঠি দিয়ে মানুষও খুন করা যায়।
মানবজাতির স্বভাব হচ্ছে সে সত্যের চেয়ে মিথ্যার আশ্রয়ে নিজেকে নিরাপদ মনে করে।

সমালোচক যা-ই বলুক না কেন, আমি জানি, হুমায়ূন আহমেদের অন্য বইয়ের মতো দেয়ালও পাঠকের সমাদর লাভ করবে।

আনিসুজ্জামান
বাংলা বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

Reviews

There are no reviews yet

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.

Q & A

There are no questions yet

Ask a question

Your question will be answered by a store representative or other customers.

Thank you for the question!

Your question has been received and will be answered soon. Please do not submit the same question again.

Error

Warning

An error occurred when saving your question. Please report it to the website administrator. Additional information:

Add an answer

Thank you for the answer!

Your answer has been received and will be published soon. Please do not submit the same answer again.

Error

Warning

An error occurred when saving your answer. Please report it to the website administrator. Additional information:

No more offers for this product!

Refund Policy

লাক্সরিয়ান্ট ফ্যাশনে, আপনার কেনাকাটার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে আমরা আপনাকে পরম তৃপ্তি দেওয়ার চেষ্টা করি। আমরা বুঝি যে কখনও কখনও এমন পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে যেখানে আপনাকে ফেরত দিতে হবে বা আপনার ক্রয়ের জন্য ফেরত চাইতে হবে। একটি মসৃণ এবং ঝামেলামুক্ত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে, আমরা নিম্নলিখিত রিফান্ড এবং রিটার্ন নীতি প্রণয়ন করেছি:


১. রিটার্নের জন্য যোগ্যতা


ডেলিভারি তারিখ থেকে ৩ দিনের মধ্যে আইটেমগুলি ফেরত দিতে হবে। আইটেমটি অবশ্যই অব্যবহৃত, পরিধানহীন এবং সমস্ত ট্যাগ এবং প্যাকেজিং অক্ষত অবস্থায় তার আসল অবস্থায় থাকতে হবে। ব্যক্তিগতকৃত বা কাস্টম-নির্মিত আইটেমগুলি রিটার্নের জন্য যোগ্য নাও হতে পারে যদি না সেগুলি প্রাপ্তির সময় ত্রুটিপূর্ণ বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


২. একটি ফেরত অনুরোধ:


একটি রিটার্ন শুরু করতে, অনুগ্রহ করে ইমেল (support@luxuriantfashion.com) এর মাধ্যমে আমাদের গ্রাহক সহায়তা দলের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার অর্ডার নম্বর, আপনি যে আইটেমটি ফেরত দিতে চান তার বিবরণ এবং ফেরত দেওয়ার কারণ দিন।


৩. রিটার্ন শিপিং:


গ্রাহকরা রিটার্ন শিপিং খরচের জন্য দায়ী যদি না রিটার্ন আমাদের পক্ষ থেকে একটি ত্রুটি বা ত্রুটির কারণে হয়। আইটেমটি নিরাপদে আমাদের কাছে পৌঁছায় তা নিশ্চিত করতে আমরা একটি ট্র্যাকযোগ্য শিপিং পদ্ধতি ব্যবহার করার পরামর্শ দিই।


৪. পরিদর্শন এবং অনুমোদন:


একবার আমরা ফিরে আসা আইটেমটি পেয়ে গেলে, এটি যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে তা নিশ্চিত করতে আমাদের দল এটি পরিদর্শন করবে। আইটেমটি অনুমোদিত হলে, আমরা ৭ কার্য দিনের মধ্যে ফেরত বা বিনিময় প্রক্রিয়া করব।


৫. ফেরত পদ্ধতি:


কেনাকাটার জন্য ব্যবহৃত মূল অর্থপ্রদানের পদ্ধতিতে ফেরত দেওয়া হবে। অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন যে কোনো শিপিং চার্জ বা প্রাথমিক কেনাকাটার সময় প্রদত্ত ট্যাক্স ফেরতযোগ্য নাও হতে পারে।


৬. বিনিময় নীতি:


আপনি যদি একটি ভিন্ন আকার, রঙ বা শৈলীর জন্য একটি আইটেম বিনিময় করতে চান, তাহলে ফেরত অনুরোধের সময় আমাদের জানান। এক্সচেঞ্জ প্রাপ্যতা সাপেক্ষে. অনুরোধ করা আইটেম অনুপলব্ধ হলে, আমরা পরিবর্তে একটি ফেরত প্রক্রিয়া করা হবে.

৭. ফেরত না পাওয়া আইটেম:

নিম্নলিখিত আইটেমগুলি রিটার্নের জন্য যোগ্য নাও হতে পারে: কানের দুল, স্বাস্থ্যবিধি কারণে। গ্রাহকের দ্বারা পরিবর্তিত, ধোয়া বা ক্ষতিগ্রস্থ আইটেম।

৮. ক্ষতিগ্রস্থ বা ত্রুটিপূর্ণ আইটেম:

বিরল ঘটনা যে আপনি একটি ক্ষতিগ্রস্ত বা ত্রুটিপূর্ণ আইটেম পাবেন, অবিলম্বে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. রিটার্ন বা বিনিময় প্রক্রিয়া করার আগে আমাদের ক্ষতি বা ত্রুটির ফটোগ্রাফিক প্রমাণের প্রয়োজন হতে পারে।

৯. স্টোর ক্রেডিট:

আপনি যদি রিফান্ডের পরিবর্তে স্টোর ক্রেডিট পছন্দ করেন তবে ফেরত অনুরোধের সময় অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। স্টোর ক্রেডিট আমাদের ওয়েবসাইটে ভবিষ্যতের কেনাকাটার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

১০. আন্তর্জাতিক রিটার্ন:

ক্রয়ের দেশের বাইরের গ্রাহকরা রিটার্ন প্রক্রিয়া চলাকালীন যেকোন অতিরিক্ত শুল্ক, কর, বা শিপিং ফি এর জন্য দায়ী থাকবেন।

অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন যে Luxuriant Fashion পূর্ব বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই যে কোন সময় এই নীতি সংশোধন করার অধিকার সংরক্ষণ করে। যাইহোক, কোনো পরিবর্তন পলিসি পরিবর্তনের তারিখের আগে করা রিটার্ন এবং রিফান্ডের অনুরোধকে প্রভাবিত করবে না।

আপনার যদি আর কোন প্রশ্ন থাকে বা আমাদের রিফান্ড এবং রিটার্ন নীতিতে সহায়তার প্রয়োজন হয়, অনুগ্রহ করে আমাদের গ্রাহক সহায়তা টিমের সাথে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না। আমরা আপনাকে সহায়তা করতে এবং বিলাসবহুল ফ্যাশনের সাথে আপনার একটি আনন্দদায়ক কেনাকাটার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এখানে আছি।

General Inquiries

There are no inquiries yet.

X

Main Menu

দেয়াল (হার্ডকভার)

225.00450.00 (-50%)

Add to Cart
What Our Clients Say
3 reviews